দোয়া কবুলের ২৮ টি স্থান বা ক্ষেত্র (রেফারেন্স সহ) | ইকরামুজ্জামান বাতেন

প্রকাশিত: ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২১ | আপডেট: ৮:৫৮:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২১
দোয়া কবুলের ২৮ টি স্থান বা ক্ষেত্র (রেফারেন্স সহ) | ইকরামুজ্জামান বাতেন

১) অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দুয়া (কোন মুসলিমের পিছনে বা অগোচরে অন্য মুসলিমের দুয়া)।(মুসলিম ৬৮২২

২) জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দুয়া।(জামে আত তিরমীযি ৩৪৪৮)

৩) বাবা তার সন্তানের জন্য দুয়া (নেক দুয়া বা বদ দুয়া)

((তিরমীযি ৩৪৪৮))

৪) নেককার সন্তানের দুয়া (তার বাবা মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর)( আবু দাউদ ২৮৮০)

৬) আরাফাতের ময়দানে দুয়া।(তিরমীযি ৩৫৮৫)

৬) বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দুয়া (সূরা নামাল ৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বারর আয়াত)

৭) সেজদায় দুয়া।(নাসায়ী ১০৪৫)

৮) হজ্জের স্থানসমূহে দুয়া (যেমন: আরাফা, মুজদালিফা, মিনা…)(ইবনে মাজাহ২৮৯২)

০৯) হাজ্জীর দুয়া (হজ্জ করা অবস্থায়)।(ইবনে মাজাহ২৮৯৩)

১০) উমরাহকারীর দুয়া (উমরাহ করার সময়)।(নাসায়ী ২৬২৫

১১) আযানের পর দুয়া।(তিরমীযি ২১০)

১২) যুদ্ধ চলাকালীন সময় দুয়া।(আবু দাউদ২৫৪০)

১৩) বৃষ্টি বর্ষণকালে দুয়া।(আবু দাউদ ২৫৪০)

১৪) শেষ রাতের দুয়া,তাহাজ্জুদ(বুখারী ১১৪৫)

১৫) জুম্মার দিনে দুয়া,,আছরের শেষ দিকে তালাশ করার জন্য নির্দেশ আছে।(নাসায়ী১৩৮৯)

১৬) লাইলাতুল কদর এর দুয়া।(বুখারী ও মুসলিম)

১৭) আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময় দুয়া।(আহমাদ ১৪৬৮৯)মুসলিম ৬৬৮

১৮)ফরয স্বলাতের শেষ অংশে দুয়া।(রিয়াদুস স্বালেহিন ১৫০৮,তিরমিযি ৩৪৯৯)

১৯) মুসাফির ব্যক্তির দুয়া (সফর অবস্থায়)।(তিরমীযি ৩৪৪৮)

২০) রোজাদার ব্যক্তির দুয়া (রোজা অবস্থায়)।(ইবনে মাজাহ ১৭৫২)

২১) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দুয়া।(তিরমীযি ২৫২৬)

২২) ঘুম থেকে উঠে বিশেষ দুয়া পাঠ করার পর দুয়া করলে কবুল হয়।(বুখারী ১১৫৪)

২৩) দুয়া ইউনুস পাঠ করে দুয়া করলে কবুল হয়।(তিরমিযি৩৫০৫)

২৪) ইসমে আযম পড়ে দুয়া করলে কবুল হয়।(ইবনে মাজাহ ৩৮৫৬)

২৫) বিপদে পতিত হলে যে দুয়া পড়া হয়(ইন্না লিল্লহাই……রাজিউন)

এবং (আল্লা-হুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া ওয়াখলিফলী খয়রাম মিনহা…) তখন দুয়া কবুল হয়।(মিশকাতুল মাসীবাহ ১৬১৮,মুসলিম ৯১৮)

২৬) জমজমের পানি পান করার পর দুয়া।(ইবনে মাজাহ ৩০৬২,আহমদ ৩/৩৫৭)

২৭, নির্যাতিতের দুয়া (তিরমিযি৩৪৪৮)

২৮,দু হাত তুলে দোয়া করা,আল্লাহ হাত খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন(আবু দাউদ ১৪৮৮)

(বিস্তারিত জানতে উপরের রেফারেন্স এর হাদিস গুলো পাঠ করুন)

দোয়া করার আদব/বৈশিষ্ট্য:

➡হালাল খাদ্য খাওয়া,হারাম খাদ্য ও কাজ থেকে দুরে থাকা।[মিশকাত হা:২৭৬০]

➡খালেছ অন্তরে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে দু’য়া করা।[বুখারি,মিশকাত হা:১]

➡ওযু করে দু’য়া করা[বুখারি ৬৩৮৩]

➡নেক আমল বা ভালো কাজ আল্লাহ’র কাছে পেশ করে দু’য়া করা।[বুখারি হা:৪৯৩৮]

➡দু’য়া করার শুরুতে আল্লাহ্’র প্রশংসা ও নাবী(সা:) এর উপর দরুদ পাঠ করা।[তিরমিযি হা:৩৭২৪]

➡কিবলামুখি হয়ে দোওয়া করা।[বুখারি হা:৬৩৪৩]

দুই রাকাত সালাত আদায় করে দু’য়া করা।[আবু দাউদ হা:১৫২১]

➡নম্রতা ও বিনয়ের সাথে দু’য়া করা।[সুরা আরাফ ২০৫]

➡পাপ স্বীকার করে দুয়া করা।[মিশকাত হা:২৩৩৩]

➡আল্লাহ্’র সুন্দর সুন্দর নামের অছিলায় দু’য়া করা।[সুরা আরাফ ১০৮[

➡দোওয়া নিরবে করা।[সুরা আরাফ ৫৫,২০৫]

➡মনে আশা নিয়ে দৃঢ়তার সাথে দু’য়া করা।[মিশকাত হা:১৪৮৪]

➡দোওয়া কবুল হবে না এই মনোভাব না নিয়ে তাড়াহুড়ো করে দুয়া করা।[ইবনে মাজাহ্ হা:৩১২১]

এবং দুহাত তুলে দুয়া করা(আবু দাউদ ১৪৮৮)

➡উপরিক্ত নিয়ম অনুসারে দোয়া করলে ইংশাআল্লাহ্ দোয়া কবুল হবে।

লেখক, এম ইকরামুজ্জামান বাতেন

Print

পুরাতন খবর দেখুন..

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930